Saturday, April 18, 2020
ইংরেজী নিয়ে কয়েকটি মজার এবং বিস্ময়কর তথ্য
ইংরেজী নিয়ে কয়েকটি মজার এবং বিস্ময়কর তথ্য
-
1. সবচেয়ে লম্বা ইংরেজি শব্দ হল-
Floccinaucinihilipilification
-
2. 80 কে letter marks বলা হ্য় কারণ L=12, E=5, T=20, T=20, E=5, R=18(অক্ষরের অবস্হানগত সংখ্যা) সুতরাং
12+5+20+20+5+18=80
-
3. ইংরেজি level,madam ও reviverশব্দকে উল্টো করে পড়লে একই হবে।
-
4. “a quick brown fox jumps over the lazy dog” বাক্যটিতে ইংরেজি ২৬টি অক্ষর আছে।
5. “ i am” সবচেয়ে ছোট ইংরেজি
বাক্য।
-
6. “Education” ও “Favourite” শব্দে সবগুলো vowel আছে।
-
7. “Abstemious ও Facetious ” শব্দে সবগুলো vowel আছে। মজার ব্যাপার হল শব্দের vowel গুলো ক্রমানুসারে ( a-e-i-o-u) আছে।
-
8. ইংরেজি Q দিয়ে গঠিত সকল শব্দে
Q এ পরে u আছে।
-
9. Queueing এমন একটি শব্দ যার মধ্যে
৫টি vowel একসঙ্গে আছে।
-
10. একই অক্ষরের পুনরাবৃত্তি না করে
সবচেয়ে দীর্ঘ শব্দ হল Uncopyrightable
।
-
11. Rhythm সবচেয়ে দীঘ ইংরেজি শব্দ
যার মধ্যে vowel নাই।
-
12. Floccinaucinihilipilification সবচেয়ে বেশি vowel সমৃদ্ধ শব্দ যাতে ১৪বার vowel আছে।
-
13. vowel যুক্ত সবচেয়ে ছোট শব্দ হল A
(একটি) ও I (আমি) ।
-
14. vowel বিহীন সবচেয়ে ছোট শব্দ হল
By।
-
15. গুপ্তহত্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ
Assassination মনে রাখার সহজ উপায় হল
গাধা-গাধা-আমি-জাতি।
-
16. Lieutenant শব্দের উচ্চারণ
লেফট্যান্যান্ট বানান মনে রাখার
সহজ উপায় হল মিথ্যা-তুমি-দশ-
পিপড়া।
-
17. University লেখার সময় v এর পরে e
ব্যবহৃত কিন্তু Varsity লেখার সময় v এর
পরে a ব্যবহৃত হয়।
-
18. “Uncomplimentary” শব্দে সবগুলো vowel আছে। মজার ব্যাপার হল শব্দের vowel গুলো উল্টো ক্রমানুসারে ( u-o-i-e-a) আছে।
-
19. “Exclusionary” ৫টি vowel সমৃদ্ধ এমন একটি শব্দ যার মধ্যে কোন অক্ষরের
পূনারাবৃত্তি নাই।
-
20. ”study, hijak, nope, deft” শব্দগুলোর প্রথম ৩ টি অক্ষর ক্রমানুসারে আছে।
-
21. “Executive ও Future“এমন দুটি শব্দ
যাদের এক অক্ষর পর পর vowel আছে.
-
22. Mozambique এমন একটি দেশের নাম যাতে সবগুলো vowel আছে।
-
23. A1 একমাত্র শব্দ যাতে ইংরেজী
অক্ষর ও সংখ্যা আছে।
-
24. I এর পরে am বসে কিন্তু I is the ninth letter of alphabet !!!!!!!!!!!!
-
25. It is raining. Bristi is reading.
বাক্য দুইটির অর্থ কিন্ত একটাই, বৃষ্টি
পড়ছে ।
-
26. Stewardesses হল সবচেয়ে বড়
ইংরেজি শব্দ যা কিবোর্ডে লিখতে
শুধু বাম হাত ব্যবহৃত হয়।
-
27. Dreamt একমাত্র ইংরেজি শব্দ যার
শেষে mt আছে ।
-
28. ইংরেজিতে ৩টি শব্দ আছে
যাদের শেষে ceed আছে । সেগুলো
হলঃ proceed , exceed , succeed
-
29. Almost সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ
যার বর্ণগুলো ক্রমানুসারে আছে ।
-
30. ইংরেজিতে মাত্র ৪টি শব্দ আছে
যাদের শেষে dous আছে। এগুলো হলঃ
tremendous , horrendous , stupendous , hazardous
-
31. Lollipop হল সবচেয়ে বড় ইংরেজি
শব্দ যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু ডান হাত ব্যবহৃত হয়।
-
32. screeched হল এক syllable বিশিষ্ট
সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ।
-
33. Underground এমন একটি শব্দ যা প্রথম ৩টি অক্ষর und শেষেও রয়েছে।
-
34. set শব্দের সবচেয়ে বেশি অর্থ
রয়েছে।
-
35. therein এমন একটি শব্দ যা থেকে
কোন রকম সাজানো ছাড়াই ১০টি নতুন
শব্দ তৈরী করা যায়। সেগুলো হলঃ the,
there, he, in, rein, her, here, ere, therein, herein
-
36. Typewriter সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু উপরের
সারি ব্যবহৃত হয়।
-
37. indivisibility এমন একটি শব্দ যাতে
একটি মাত্র vowel i ৬ বার আছে ।
-
38. Bookkeeper শব্দে ৩ জোড়া অক্ষর
oo,kk,ee পাশাপাশি আছে।
-
39. understudy এমন একটি শব্দ যাতে ৪টি ক্রমিক অক্ষর rstu আছে।
-
40. queue একমাত্র ইংরেজি শব্দ যার
শেষের ৪ অক্ষর বাদ দিলে।
Saturday, April 4, 2020
Easiest and Shortcut Techniques For English. English. Techniques.
Easiest and Shortcut Techniques For English
ইংলিশ শব্দের suffix (প্রত্যয়) বা prefix (উপসর্গ) দেখে Parts of speech ও antonym চেনার সহজ কয়েকটি উপায় ও মনে রাখার শর্টকাট টেকনিক।
1) যে সকল word বা শব্দের শেষে ce, cy, ity, ty, ness, hood, dom, tion, sion, ance, age, ment, th, ইত্যাদি suffix বা প্রত্যয় যুক্ত থাকে তখন উহা সাধারণত Noun হয়।
অর্থাৎ যেসব Word এর শেষে tion,ce,ty,age ... dom,cy,ry,gy. ment,ness,ism,ist ! ex,hood,cm,th. এছাড়া Verb+al,er,ing থাকলে সেই Word টি NOUN হবে।
মনে রাখার টেকনিকঃ শুন ছি তাই আগে দম ছাই রাই যাই। মেন্ট নেস ইজম ইষ্ট এক্স হুড সিএম টিস।
মনে রাখার টেকনিকঃ শুন(tion) ছি(sy) তাই(ty) আগে(aga) দম(doom) ছাই(cy) রাই(ry) যাই(gy)। মেন্ট(ment) নেস ইজম ইষ্ট এক্স হুড সিএম টিস(th)।
যেমনঃ
☆ ― tion : action ☆ ― sion: confusion ☆ ― er : driver ☆ ― or : actor ☆ ― dom: freedom ☆ ― hood: childhood ☆ ― ness: kindness ☆ ― th: growth ☆ ― let: booklet ☆ ― ock : bullock
☆ ― ment : management ☆ ― age : marriage ☆ ― ance : innocence ☆ ― cy : accuracy
☆ ― tude : servitude ☆ ― ice : service ☆ ― ure : pleasure ☆ ― y : victory ☆ ― ry : dispensary
2) শব্দের শেষে able, ous, ant, ent, le, al, ful, er, est, ive, ইত্যাদি থাকলে উহা Adjective হয়।শব্দের পূর্বে more/most/less/least থাকলে,উহা Adjective হয়।
অর্থাৎ যদি কোন word এর শেষঅংশে ble,ful,ous,less ic,al,ant,ent tive,sive. ইত্যাদি suffix থাকে তবে সাধারণত [ADJECTIVE] হয়।
ছন্দঃ- বল,ফুল,আওস,লেছ, ইক,আল,অ্যান্ট,য়েন্ট, টিভ,সিভ।
যেমনঃ ble(বল)=favourable, ful(ফুল)=powerful, ous(আওস)=continuous, less=aimless, ic=economic, al=conditional, tive=Communicative, sive=Possessive.
☆ ― al : national ☆ ― ic, ical : historic , historical ☆ ―ish: Turkish ☆ ―istic: fantastic , optimistic ☆ ―ive : active , attentive ☆ ―ian, an : Indian , American ☆ ―ary : necessary, documentary ☆ ―ed : learned , talented ☆ ―ate : Fortunate , talented ☆ ―able : drinkable , movable ☆ ―ible : sensible , edible ☆ ―ful : beautiful, hopeful ☆ ―less : fearless, helpless ☆ ―ly : friendly, manly, heavenly ☆ ―y : healthy, wealthy ,
যেমনঃ Beautiful, Best, Important, ইত্যাদি।His friend will not do illegal matter.
3) Adjective এর শেষে ly যোগ করে সাধারণত Adverb হয়। আবার ly বাদ দিলে উহা Adjective হয়।
যেমনঃ slow → slowly, slowly → slow. Example: He did not it slowly. It was slow.
4) শব্দের শেষে te, d, ed, ain, fy, e, en, ize, se, ing, ইত্যাদি থাকলে উহা verb হয়।
যেমনঃ build, beautify, made ইত্যাদি।
5) শব্দের প্রথমে de, dis, il, im, in, ir, un, miss,ইত্যাদি Prefix বা উপসর্গ থাকলে উহা বাদ দিলে বিপরীত অর্থবোধক বা antonym হয়।
যেমনঃDecontaminate(দূষণ হতে মুক্ত করা) Contaminate(দূষণ করা) Disconnect (পৃথক করা) Connect(পৃথক) Immortal (অমরনশিল) Mortal(মরণশীল
6) যে সকল verb এর আগে be, en, em, im, ইত্যাদি prefix বা উপসর্গ থাকে তখন উহা বাদ দিলে noun/adjective হয়।
যেমনঃBeflower (ফুল দ্বারা আচ্ছাদিত করা) Flower (ফুল) Enable ( সামর্থ্য হওয়া ) Able ( সামর্থ্য)
7) যে সকল verb এর পরে en, ify, ize, ইত্যাদি suffix বা প্রত্যয় যোগ থাকে উহা বাদ দিলে noun/adjective হয়।
যেমনঃ broaden (প্রশস্থ করা) broad( প্রশস্থ) signify(চিহ্নিত করা) sing(চিহ্ন)
8) verb এর শেষে e থাকলে e বাদ দিয়ে ‘or’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃ calculate (গণনা করা ) calculator (যে গণনা করে )
9) verb এর শেষে de থাকলে de বাদ দিয়ে ‘sion’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃconclude(সমাপ্ত করা ) conclusion(সমাপ্ত)
10) verb এর শেষে y থাকলে y বাদ দিয়ে ier, suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃcarry (বহন করা) carrier (বহনকারী)
11) verb এর শেষে se থাকল e বাদ দিয়ে ‘ion’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃTelevise(টেলিভিশনে প্রচার করা) Television (দূরদর্শন )
12) verb এর শেষে rt থাকলে t বাদ দিয়ে ‘sion’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃDivert (চিত্ত-বিনোদন করা) Diversion (চিত্তবিনোদন)
13) verb এর শেষে nt থাকলে t বাদ দিয়ে ‘sion’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃAscent(আরোহণ করা) Ascension(আরোহণ)
14) verb এর শেষে it থাকলে t বাদ দিয়ে ‘ssion’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃAdmit(ভর্তি করা) Admission(ভর্তি)
15) verb এর শেষে ate থাকলে e বাদ দিয়ে ‘ion’ suffix যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃAccelerate(অধিকতর দ্রুত চলা) Acceleration(বেগ বিদ্ধি)
16) verb এর শেষে e থাকলে e বাদ দিয়ে ‘able’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।
যেমনঃmeasure(পরিমাপ করা) measurable (যাহা পরিমাপ করা যায় এমন)
17) verb এর শেষে ate থাকলে ate বাদ দিয়ে ‘able’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।
যেমনঃAppreciate(প্রশংসা করা) Appreciation(প্রশংসনীয়)
18) verb এর শেষে fy থাকলে y বাদ দিয়ে ‘iable’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।
যেমনঃClassify (শ্রেণী বিভাগ করা) Classifiable(শ্রেণী বিভাগের যোগ্য)
19) 20 . verb এর শেষে y থাকলে y বাদ দিয়ে ‘ied’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।
যেমনঃstratify(স্তরে স্তরেগথিত হওয়া) stratified(স্তরিভুত)
20) verb এর শেষে ge, se, de, থাকলে ge, se, de বাদ দিয়ে ‘sive’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।
যেমনঃDiffuse(ছাড়াইয়া দেওয়া) Diffusive(ব্যাপক)
21) verb এর শেষে duce থাকলে e বাদ দিয়ে ‘tive’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।
যেমনঃproduce (উৎপাদন করা) productive(উৎপাদন
22) কিছু শব্দের suffix বা প্রত্যয় বাদ দিলে তার পার্ট অফ স্পিচ ও পরিবর্তন হয়ে যায় তেমনি কিছু নিয়মঃ
a) শব্দের শেষে ce/cy বাদ দিয়ে t/te যোগ করলে Adjective হয়।
যেমনঃ Importance →Important.
b) শব্দের শেষে ity বাদ দিয়ে Adjective হয়।
যেমনঃ Popularity (জন প্রিয়তা) Popular (জনপ্রিয়)
c) শব্দের শেষে ness বাদ দিয়ে Adjective হয়।
যেমনঃ awfulness,(ভয়ানকতা) awful(ভয়ানক)
d) শব্দের শেষে hood/dom বাদ দিয়ে Adjective হয়।
যেমনঃ falsehood(মিথ্যা কথা) false(মিথ্যা)
e) শব্দের শেষে tion বাদ দিয়ে t/te যোগ করলে verb হয়।
যেমনঃ conection →conect.
f) শব্দের শেষে ment বাদ দিয়ে verb হয়।
যেমনঃ enjoyment(উপভোগ) enjoy(উপভোগ করা)
g) শব্দের শেষে ance বাদ দিয়ে verb হয়।
যেমনঃ acceptance(গ্রহণ ) accept(গ্রহণ করা)
h) শব্দের শেষে age বাদ দিয়ে verb হয়।
যেমনঃBreakage(ভাংগন) Break(ভাংগা) ।
Wednesday, April 1, 2020
পরীক্ষার খাতায় লেখার কৌশল । পরীক্ষা ও লেখার কৌশল।
#পরীক্ষার_খাতায়_লেখার_কৌশল
লিখিত পরীক্ষার জন্য যে তথ্য আহরণ বা পড়াশোনা করেছেন, তার মূল লক্ষ্য হলো পরীক্ষার খাতায় চমৎকারভাবে উপস্থাপন করে আসা। আর এটি যদি করতে ব্যর্থ হন, তবে সব পরিশ্রম বৃথা যাবে। কারণ, পরীক্ষক আপনার জানার চেয়ে খাতায় কীভাবে উপস্থাপন করেছেন তা দেখে নম্বর দেবেন। ছোটখাটো ভুল হয়তো আপনার স্বপ্নকে ব্যাহত করতে পারে। তাই তাঁকে সন্তুষ্ট করে আসা জরুরি। এ জন্য সতর্ক থাকতে হবে। অনেক তো পড়াশোনা হলো এবং ভালোই তথ্য আছে বা মাথায় নিয়েছেন। এবার সঠিকভাবে তা খাতায় দিয়ে আসতে হবে এবং খাতার অঙ্গসজ্জা ঠিকমতো করতে হবে। তবেই হবে পরিশ্রম শতভাগ সার্থক। এ ব্যাপারে নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করতে পারেন:
ক. খাতায় কালো, নীল এবং ক্ষেত্রবিশেষে পেনসিল ছাড়া আর কোনো কালির দাগ থাকবে না। অনেকে সবুজ, বেগুনি, গোলাপি রং ব্যবহার করেন, যা ঠিক নয়।
খ. খাতাটি পেয়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ তথ্যাদি পূরণ করে মার্জিন করে ফেলবেন। অবশ্যই বক্স স্কেলিং নয়। কারণ, এতে লেখার জায়গাটা অনেক ছোট হয়ে আসে। ওপরে ও বাঁ পাশে এক ইঞ্চি রেখে দাগ। এই স্কেলিং করবেন নীল কালি দিয়ে।
গ. লুজ শিটে সময় না থাকলে মার্জিন করার প্রয়োজন নেই। শুধু ওপরে ও বাঁয়ে ভাঁজ করে নিন।
ঘ. লুজ শিট নিলে তার নম্বরটি প্রথমেই মূল খাতার যথাস্থানে পূরণ করে নিন। পরে মনে থাকবে না।
ঙ. আপনার জীবনের সর্বোচ্চ গতিতে লিখবেন। লেখা যেদিকে যায় যাক। শুধু বোঝা গেলেই হবে। দ্রুত লিখলে লেখা খারাপ হবে এটাই স্বাভাবিক। চিন্তার কিছু নেই।
চ. পয়েন্ট, কোটেশন ও রেফারেন্স নীল কালি দিয়ে লিখবেন এবং নীল কালি দিয়ে আন্ডারলাইন করে দেবেন। এতে পরীক্ষক সহজে চোখে দেখবেন। তাঁকে দেখানোই আপনার কাজ।
ছ. সব প্রশ্নের উত্তর করে আসবেন। সময় না থাকলে কম লিখবেন। না পারলে আন্দাজে কিছু একটা লিখবেন।
জ. চেষ্টা করবেন প্রশ্নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে উত্তর দিতে। এতে খাতা দেখা সহজ হয়। তাই পরীক্ষক খুশি। আর তিনি খুশি হলে নম্বর ভালো আসবে।
ঝ. তবে টু দ্য পয়েন্টের উত্তরগুলো আগে দেওয়া ভালো। যেমন ব্যাকরণের উত্তর, চিঠিপত্র, ছোট প্রশ্ন, টীকা। তারপর বর্ণনামূলক লেখা ভালো।
ঞ. অসম্পূর্ণ উত্তরের ক্ষেত্রে বাংলার বেলায় অ. পৃ. দ্র. এবং ইংরেজির বেলায় To be continued লেখা উত্তম।
ট. নতুন প্রশ্ন নতুন পৃষ্ঠা থেকে শুরু করা ভালো। তবে গুচ্ছ প্রশ্নের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না।
ঠ. বিজ্ঞান ছাড়া অন্য বিষয়ে চিত্রের প্রয়োজন নেই। এখানে তথ্যের দরকার। এটিই দিন।
ড. চিঠিপত্র লেখার সময় বাঁ পাশের পৃষ্ঠা থেকে শুরু করা উত্তম এবং দুই পৃষ্ঠায় শেষ করে দেবেন।
ঢ. মার্জিনের বাইরে কোনো লেখা হবে না। প্রশ্নের নম্বর ও কত নম্বর প্রশ্নের উত্তর লিখছেন তাও লেখা যাবে না। এমনকি একটা ফুলস্টপও হবে না। বোঝা গেল নিশ্চয়ই।
ণ. অনাবশ্যকভাবে পৃষ্ঠা ভরবেন না। পৃষ্ঠা গুনে নম্বর হয় না। যা চেয়েছে ও যা জানেন, তা সময়ের সঙ্গে মিল রেখে লিখুন।
ত. যথাসম্ভব কাটাকাটি করবেন না। এতে খাতার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। সুন্দর জিনিসের দাম সর্বত্রই আছে। তার মানে এই নয়, লেখা বাদ দিয়ে নকশা করবেন। বুঝতে পেরেছেন আশা করি।
থ. টীকা লেখার সময় প্রথমে হালকা ভূমিকার মতো থাকবে এবং শেষে একটা সমাপনী থাকবে। মাঝখানে যা জানতে চেয়েছে তা অল্প করে লিখে দেবেন।
দ. যেসব প্রশ্নের উত্তরের ক্ষেত্রে শব্দ নির্ধারিত থাকবে, তা কোনোভাবেই অতিক্রম করা যাবে না। যেমন ইংরেজি রচনা। এ জন্য পরীক্ষার হলে গুনতে বসবেন না। বাসায় এক পৃষ্ঠা দ্রুত লিখে দেখবেন কত শব্দ হয়। সেই সংখ্যা দিয়ে নির্ধারিত সংখ্যাকে ভাগ দিলে পৃষ্ঠা পেয়ে যাবেন। তবে সামান্য বেশি হলে তেমন সমস্যা নেই।
যথাসম্ভব কাটাকাটি করবেন না। এতে খাতার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। সুন্দর জিনিসের দাম সর্বত্রই আছে।
ধ. ৫ নম্বরের একটা প্রশ্নের উত্তর সর্বোচ্চ ২ পৃষ্ঠা হতে পারে। এর বেশি অনেক ক্ষেত্রেই সময় পাবেন না।
ন. এক কথায় যেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, তা যত সংক্ষেপে লেখা যায়। এখানে প্যাঁচালেই বিপদ।
প. ইংরেজি ও বাংলা রচনা শেষে লেখাই উত্তম। কারণ, তা সর্বাধিক নম্বর বহন করে।
ফ. শূন্যস্থান পূরণের ক্ষেত্রে যদি নম্বর না থেকে প্যাসেজ থাকে, তবে পুরোটা তুলতে হবে। আর শূন্যস্থান এর নিচে নীল কালি দিয়ে আন্ডারলাইন করে দিতে হবে, যাতে পরীক্ষকের সহজে চোখে পড়ে।
ব. লেখার সময় বানান ভুল হচ্ছে কি না মাথায় রাখবেন। যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাবেন। সিনিয়র স্যাররা এতে খুব বিরক্ত হন।
ভ. যেকোনো চিত্র পেনসিল দিয়ে আঁকবেন। ফ্রিহ্যান্ডে আঁকাই উত্তম।
ম. বর্ণনামূলক প্রশ্নে পারলে ছক দিয়ে তথ্য উপস্থাপন করবেন। ছকটা তৈরি করবেন নীল কালিতে আর লিখবেন কালো কালিতে। এতে পরীক্ষক সহজে বুঝতে পারবেন।
য়. জেলজাতীয় কালির কলম ব্যবহার না করাই উত্তম। এতে অন্য পৃষ্ঠাও নষ্ট হয়ে যায়।
র. ভুলক্রমে যদি কোনো পৃষ্ঠা রেখে পরবর্তী পৃষ্ঠায় লিখে ফেলেন, তবে ফাঁকা পৃষ্ঠায় একটা দাগ টেনে দেবেন।
ল. প্রতিটি নম্বরের জন্য কত সময় পান, তা আগেই হিসাব করে রাখবেন এবং সেই পরিমাণ সময় তাতে ব্যয় করবেন। যদি বরাদ্দকৃত সময় কিছু বেঁচে যায়, তবে তা পরবর্তী কোনো প্রশ্নে ব্যবহার করতে পারেন।
শ. সাধারণ গণিতে উত্তর শেষ হলে একটু রিভিশন দেবেন। অনেকেরই প্লাস, মাইনাস বা ছোটখাটো ভুল করার অভ্যাস আছে।
একটা কথা মনে রাখবেন, এমন কোনো কাজ খাতায় করে আসবেন না বা এমন কিছু লিখবেন না বা এমন প্রক্রিয়ায় উপস্থাপন করবেন না, যাতে পরীক্ষকের মাথা গরম হয় বা তিনি বিরক্ত হন। কারণ, তিনি খেপে গেলে আপনাকে বিদায় নিতে হতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন এবং পড়াশোনা করুন। আগামী 2 এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া লিখিত পরীক্ষায় আপনি সফল হোন। সবার জন্য শুভকামনা। ধন্যবাদ সবাইকে।
Saturday, March 14, 2020
পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ। Exam Preparation...
✍️👉 পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ।..
পরীক্ষা অনেক ঠান্ডা মাথার শিক্ষার্থীর উপরও চাপ ফেলতে পারে। কিন্তু অনেক অল্প প্রস্তুতি এবং সময়সূচী নিয়ে একটি উন্নত পরিকল্পনা আপনার এই চাপ কমিয়ে প্রত্যাশিত গ্রেড এনে দিতে পারে
✍️👉 পরীক্ষার ১৫ দিন আগে......
এখনই সময় আপনার পরীক্ষা নিয়ে গুরুত্ব সহকারে ভেবে সংশোধনের সময়সীমা ঠিক করে নেয়া। সবচেয়ে নতুন সিলেবাস গুলো দেখে নিন। পরীক্ষার ব্যাপারে খুটিনাটি জেনে নিন
✍️👉 কিছু টিপস.........
দিনের যে সময়টায় আপনার কাজ ভালো হয় সে সময়ের জন্য পূণরায় দেখার কাজটি রেখে দিন। যেমন আপনি যদি সকালে ভালো অনুভব করেন তাহলে বেশিরভাগ পড়া সকালেই শেষ করে রাখুন।
✍️👉 আপনি আরও যা করতে পারেন.........
যে পরীক্ষা যতো বেশি নাম্বার দেবে তাকে বেশী গুরুত্ব দিন।
✍️👉 প্রায় বিরতি নিন মন সতেজ রাখার জন্য......
পড়াশোনার জন্য বিভিন্ন ধরণের মাধ্যম ব্যবহার করুন যেমন বই, অডিও গাইড এবং ভিডিও সারাংশ
পড়ালেখার নোটে বিশেষ পয়েন্টগুলো দাগিয়ে রাখুন
পরিবার বা বন্ধুদের বলুন আপনাকে পড়া জিজ্ঞেস করতে।
✍️👉 আগের পরীক্ষা পত্র দেখে নিন যেন পরীক্ষা সম্বন্ধে একটি ধারণা পেয়ে যান.........
✍️👉 পরিবার ও বন্ধুদের সাথে কাটানোর জন্য সময় বের করুন.........
✍️👉 পরীক্ষার দ্রুত টিপস- পরীক্ষার দিনে.........
আপনাকেএই দিনটির জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে হবে। স্নায়বিক চাপে ভুগলে আতঙ্কিত হবেন না, এটা খুবই স্বাভাবিক। কিছু নিয়ম মেনে চলুন শান্ত থাকার জন্য এবং ভালো ফলাফলের জন্য
✍️👉 শান্ত থাকুন এবং দীর্ঘশ্বাস নিন .....
পরীক্ষায় লেখা শুরু করার আগে প্রশ্নপত্র পুরোটা পড়ে নিন
✍️👉 সময় ভাগ করে নিন .....
কোন জায়গায় আটকে গেলে পরবর্তী প্রশ্নে চলে যান
প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ুন এবং সতর্কতার সাথে সবগুলো উত্তর লিখুন
✍️👉 পরীক্ষা দেওয়ার সময় মাঝে মাঝের পানি খান।
✍️👉 আগে ভাগেই পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলে সব উত্তর গুলো আরেকবার দেখে নিন। লিখিত উত্তরের জন্য আপনার উত্তরকে প্রথম, মধ্যম এবং শেষ ভাগে ভাগ করে নিন। প্রথম অংশে সূচনা, মধ্যম অংশে তূলনামূলক বর্ণনা এবং নির্দিষ্ট শব্দ সংখ্যার ৭৫ ভাগ লিখে ফেলুন। এবং শেষ অংশে একটি উপসংহার লিখুন।
কম সময়ে পরীক্ষা প্রস্তুতি নেওয়ার কৌশল। সামনে, পড়া শেষ হয়নি? Tips for a good preparation in short time..
পরীক্ষা সামনে, পড়া শেষ হয়নি?
“পড়াশোনার চিন্তায় পড়াশোনা হচ্ছে না।”
বর্তমান প্রজন্মের নাম যদি দেওয়া হয় “The Eleventh Hour Generation”, আশা করি খুব একটা ভুল হবে না। তাদেরকে সময় যতই দেওয়া হোক না কেন, তারা সবকিছু করতে বসবে সেই শেষ মুহূর্তে। পড়াশোনা অর্থাৎ পরীক্ষার প্রস্তুতিও তার ব্যতিক্রম নয়।
“কালকে পড়বো এখনো তো অনেক দিন বাকি…………”
এই কালকে পড়বো-র পুনরাবৃত্তি করতে করতে পরীক্ষা দ্বারপ্রান্তে দণ্ডায়মান। অথচ সিলেবাসের কিছুই পড়ার সুযোগ মেলেনি। এই সমস্যা আমাদের সবার বেশ পরিচিত এক সমস্যা। অথচ সময়ের পড়াগুলোকে যদি সময়েই শেষ করে ফেলা হতো তবে কিন্তু এই বিদঘুটে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় না। অনেক উপদেশ হলো। যেটা হবার সেটা যেহেতু হয়েই গেছে, এবার অল্প যেটুকু সময় বাকি সে সময়টাকে কাজে লাগাতে পারলেও কিন্তু বিপদ অনেকাংশে কেটে যাবে।
ছাত্রজীবনে এই “কালকে পড়বো……” – এর চক্করে ফেঁসে গিয়ে একদম শেষ মুহূর্তে এসে কান্নাকাটি আমিও করেছি। কিন্তু কান্নাকাটি করে লাভ যে খুব একটা হবে, তা কিন্তু নয়। বরং এতেও সেই সময়ই নষ্ট হবে। পরীক্ষা একদম দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে, এমতাবস্থায় প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যেটা প্রয়োজন সেটা হলো মাথা ঠান্ডা রেখে কুশলী হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
পরীক্ষাকে দরজার বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে পুরোপুরি প্রস্তুতি নিতে করণীয় কিছু কৌশল জেনে নেওয়া যাক তাহলে।
মাথা ঠান্ডা রাখা জরুরি:
প্রস্তুতি হয়নি অথচ পরীক্ষার আর তর সইছে না! এই সমস্যাটা তোমার আমার সবার পরিচিত সমস্যা। আমাদের প্রত্যেকেই জীবনের কোনো না কোনো পরীক্ষায় এই পাপের ফল ভোগ করে এসেছি। কাজেই পরীক্ষার প্রস্তুতি তুমি বাদে বাকি সবাই নিয়ে ফেলেছে এমন ভাবাটা অবান্তর। বিশ্বাস না হলে তোমার বন্ধুকে প্রশ্ন করে দেখো, উত্তরটা সেই ঘুরেফিরে তোমার মতোই হবে।
তাই, শুধু শুধু হতাশ হয়ে মুষড়ে না পড়ে অল্প যেইটুকু সময় বাকি আছে সে সময়টাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করো।
পড়াশোনায় চিন্তায় পড়াশোনাকে ভুলে যাওয়া যাবে না:
ইন্টারনেটে একটা বেশ পরিচিত মিম আছে যেখানে বলা হয়ে থাকে,
“পড়াশোনার চিন্তায় পড়াশোনা হচ্ছে না।”
পরীক্ষার ঠিক আগমুহূর্তে আমাদের সবার এইরকমের একটা অনুভূতি হয়ে থাকে। প্রস্তুতি নেওয়া হয় নি; আহ! কী করলাম এটা; এখন আমার কী হবে; আমি তো ফেল করবো; কিচ্ছু তো পড়া হয় নি…… এবং আরো অনেক কিছু। এইসব দুশ্চিন্তা করতে গিয়ে আসল কাজখানাই আর হয় না। এসব দুশ্চিন্তা যাতে কখনোই তোমার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নেবার ক্ষেত্রে কোনোরকম প্রতিবন্ধকতা না সৃষ্টি করে। যেটা হবার সেটা তো হয়েই গেছে। তাই সেটা নিয়ে ভাবতে গিয়ে আবারো সময় নষ্ট করাটা বোকামী ছাড়া আর কিছুই নয়।
তাই, পরীক্ষার আগে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাকে প্রশ্রয় নয়।
গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো চিহ্নিত করে রেখো :
পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোকে হাইলাইটার দিয়ে হাইলাইট করে রেখো। স্টিকি নোটসে প্রয়োজনীয় পয়েন্টগুলো লিখে বইয়ে আটকে দাও। রিভিশনের সময়ে ওই চিহ্নিত অংশগুলো আর স্টিকি নোটসের লেখাগুলো পড়ে ফেললেই পুরো বিষয়টা নিয়ে তোমার ধারণা নেওয়া হয়ে যাবে।
এতে করে তোমার পরীক্ষা দেয়ার ঠিক আগে একদম শেষ সময়ে রিভিশন দেওয়াটা অপেক্ষাকৃত সহজ ও কম সময়সাপেক্ষ হবে।
নতুনকে গুরুত্ব নয়:
অনুচ্ছেদের নাম শুনে ভড়কে গেলে? আজীবন আমরা শুনে এসেছি পুরোনোকে সরিয়ে দিয়ে নতুনদের জায়গা করে দিতে হবে। আজ উল্টো কেন? কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ঠিক ঠিক আগমুহূর্তে করারও কিছু নেই। পরীক্ষার আগের সময়টায় অনেক অনেক নতুন নতুন বিষয়, অধ্যায়, তত্ত্ব, সূত্র, উদাহরণ দলবেঁধে সামনে পড়বে। খেয়াল রাখতে হবে, নতুন এই জিনিসগুলো শিখতে গিয়ে যেন পুরোনো পড়াগুলো আবার ভুলে না যাওয়া হয়।
তাই, নতুন বিষয়গুলো শেখার পেছনে সময় কম দিয়ে নিজের জানা ও শেখা প্রয়োজনীয় পড়াগুলোই আবার রিভিশন দাও। শেখাটা পাকাপোক্ত করে ফেলো।
ইউটিউব লেকচারের গতি বাড়িয়ে নাও:
পরীক্ষা দ্বারপ্রান্তে দণ্ডায়মান। অনেক পড়া, বোঝা, জানা ও শেখা বাকি। সময় অনেক কম। কিন্তু, ইউটিউবের ১ ঘণ্টার বিশাল বিশাল লেকচারগুলো কীভাবে দেখে শেষ করা যাবে সব? এরও সমাধান আছে। ইউটিউব ভিডিওর স্পিড অপশনে গিয়ে ভিডিও দেখার গতি প্রয়োজনমতো বাড়িয়ে নেওয়া যায়।
ধরো, তোমাকে একটি ১ ঘণ্টার লেকচার দেখা প্রয়োজন। অথচ, হাতে সময় কম। তুমি চাইলেই এখন ১ ঘণ্টার লেকচার ৪০ মিনিটে দেখে শেষ করতে পারবে।
সময় ফুরিয়ে গেছে অথচ প্রস্তুতি নেওয়া হয় নি, এটা আমাদের সবার জন্যেই সাধারণ একটি সমস্যা। এরকম পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রাখাটাই প্রকৃতপক্ষে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আশা করছি এই পরামর্শগুলো তোমাদের শেষ মুহূর্তে ঠান্ডা মাথায় পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অনেকাংশে সহায়তা করবে।
তাই, এই পরামর্শগুলো নিজেদের পরিচিতদের সাথে শেয়ার করো যাতে করে তারাও এরকম পরিস্থিতিতে উপকৃত হতে পারে।
পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিবে ৮টি সহজ টিপস।। 8 easy tips how to get a Best Exam Preparation
পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিবে ৮টি সহজ টিপস
পরীক্ষার নাম শুনলে কম বেশি সবারই হৃদস্পন্দন কয়েক গুণ বেড়ে যায়। পরীক্ষা না থাকলে ছাত্রজীবন কতই না সুন্দর হত। তাই বলে পরীক্ষা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে তো আর হবে না। নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ কিন্তু এখানেই।পরীক্ষায় নিজের সেরাটা দিলেই অর্জন করা যায় কাঙ্খিত সাফল্য। এজন্য পরীক্ষার প্রস্তুতিও হওয়া চাই সেরা।পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় সবাই কিছু না কিছু কৌশল অবলম্বন করে। কিন্তু কয়েকটি টিপস মেনে চললে আপনার প্রস্তুতিটি আরও সহজ ও পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে।
তাহলে জেনে নেওয়া যাক পরীক্ষা প্রস্তুতির ৮ টি টিপস:
১. পড়ার মাঝে বিরতি নিন:
একটানা অনেকক্ষণ পড়ার চেয়ে বিরতি দিয়ে পড়া অনেক বেশি কার্যকর। এক নাগাড়ে বেশ কিছুক্ষণ ধরে পড়লে পড়ায় মনযোগ ধরে রাখা যায় না। এ কারনে টানা অনেকক্ষণ না পড়ে প্রতি ২০-২৫ মিনিট পর পর পড়ার মাঝে অন্তত ৫ মিনিট বিরতি দিন। বিরতি নেওয়ার ফলে মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং পড়া খুব সহজেই আয়ত্ত করা যায়।
২. রুটিন বানিয়ে পড়ুন:
সঠিক প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজন সঠিক সময় নির্দেশনা। তাই রুটিন করে পড়া অত্যন্ত জরুরি্। প্রতিটি বিষয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় ভাগ করে নিয়ে একটি টাইম রুটিন তৈরি করে ফেলুন। এতে করে সকল বিষয় যেমন সমান গুরুত্ব দেয়া যায় তেমনি পড়াটাও সহজতর হয়।
৩. অতিরিক্ত রাত জাগা পরিহার করুন:
পরীক্ষার সময় অনেকেরই রাত জেগে পড়ার অভ্যাস রয়েছে। কিন্তু এটা একদমই করা উচিত নয়। মস্তিষ্কে স্মৃতি তৈরীর কাজটি ঘুমের মধ্যে হয়। পরীক্ষার আগের রাতের ঘুম তাই অত্যন্ত জরুরী। লরেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত রাত জাগা মস্তিষ্কের ক্ষতিসাধন করে। নর্থ টেক্সাসের আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত রাত জাগা চোখের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তাই পরীক্ষার সময় রাত জাগা পরিহার করুন। তার চাইতে রাতে আগে ঘুমিয়ে সকালে উঠে পড়ার অভ্যাস করতে পারেন।
৪. কঠিন পড়া গুলো ঘুমানোর আগে পড়ার চেষ্টা করুন:
বিশেষজ্ঞদের মতে, অপেক্ষাকৃত কঠিন এবং বর্ণনামূলক পড়া ঘুমানোর আগে পড়া উচিত। এতে করে পড়াটি মস্তিষ্কে দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং ঘুম থেকে উঠার পর পড়াটি মনে করা সহজতর হয়।
৫. পরীক্ষার আগের রাতের জন্য পড়া জমিয়ে রাখবেন না:
সকল পড়া পরীক্ষার আগের রাতের জন্য জমিয়ে না রেখে প্রতিদিন অল্প অল্প পড়ুন। পরীক্ষার আগের রাতে সকল পড়া একসাথে পড়তে গেলে মানসিক চাপ বাড়বে যা পরীক্ষায় বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরীক্ষার আগের রাতে নতুন কিছু না পড়ে আগে যা পড়া হয়েছে তাই রিভাইস করুন।
৬. পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করুন:
খাবারের সাথে মস্তিষ্কের ক্রিয়াক্ষমতার সম্পর্ক রয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে পরীক্ষার সময় চর্বিহীন এবং আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত। কারন এসব খাবার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৭. নিজেকে যাচাই করুন:
পরীক্ষার পূর্বে নিজেই নিজের ছোটখাট টেস্ট নিয়ে নিন। নিজেই তাতে মার্কিং করুন। এতে করে পড়া ভালমত হয়েছে কিনা তা যেমন বুঝা যায় তেমনি আত্মবিশ্বাসও বাড়ে। এই আত্মবিশ্বাস পড়া মনে রাখতে ও পরীক্ষায় ভালো করতে সাহায্য করে।
৮. নিজের উপর আস্থা রাখুন:
হচেছ না, হবে না এ সমস্ত ধারণা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। নিজের উপর আস্থা রেখে সামনে এগিয়ে যান। বারবার অনুশীলন করুন। পরীক্ষার উত্তরপত্রেও আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রশ্নের উত্তর লিখুন।
Friday, February 14, 2020
শিক্ষা আইনের খসড়া | শিক্ষকদের কোচিং-টিউশন বন্ধ হলেও চলবে বাণিজ্যিক কোচিং |
শিক্ষা আইনের খসড়া
শিক্ষকদের কোচিং-টিউশন বন্ধ হলেও চলবে বাণিজ্যিক কোচিং
স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা শিক্ষরা কোচিং-টিউশনি করাতে না পারলেও বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টার চলবে। সরকারের পূর্বানুমোদন ছাড়া স্থাপন করা যাবে না কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বিদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বেতন ও অন্যান্য ফি নির্ধারণ করবে সরকার বা সরকার কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো প্রতিষ্ঠান। এসব বিধানসহ ৫৮টি ধারা সংবলিত শিক্ষা আইন-২০২০ এর খসড়া প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। শেষ সময়ের ঘষামাজা চলছে। শিগগিরই এটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে। খসড়ার কপি দৈনিক শিক্ষার হাতে রয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় নোট-গাইডের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে বলা হয়েছে, পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তুর আলোকে বিভিন্ন পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নাবলির উত্তর লেখা থাকে যে পুস্তকে, যা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা হয়।
অপরদিকে কোচিং সংক্রান্ত বিধানে উল্লেখ আছে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট-টিউশনের মাধ্যমে পাঠদান করতে পারবেন না। কোনো শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে অর্থের বিনিময়ে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন পদ্ধতিতেও প্রাইভেট টিউশন বা কোচিংয়ের মাধ্যমে পাঠদান করতে পারবেন না। করলে তা অসদাচরণ বলে গণ্য ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে। তবে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের লিখিত সম্মতি সাপেক্ষে স্কুল সময়ের পরে বা আগে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি বা নীতিমালা অথবা জারিকৃত পরিপত্র বা নির্বাহী আদেশ অনুসরণপূর্বক অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে পারবেন।
এতে বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারকে বৈধতা দিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট টিউশনের মাধ্যমে পাঠদানের উদ্দেশ্যে কোচিং সেন্টার পরিচালনা করা বা কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করা এ আইনের অধীন নিষিদ্ধ হইবে না। এক্ষেত্রে দুটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এক. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময় সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত কোচিং সেন্টার পরিচালনা করা যাইবে না। করা হলে উক্ত কোচিং সেন্টারের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করা যাবে। দুই. কোচিং সেন্টারে কোনো শিক্ষক তার নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীকে পাঠদান করতে পারবেন না। করলে তা অসদাচরণ হিসেবে শাস্তিযোগ্য হবে।
এতে কোচিংয়ের সংজ্ঞায়ন করতে গিয়ে বলা হয়, সরকারি বা স্বীকৃত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে কোনো ব্যক্তি বা শিক্ষক কর্তৃক এক বা একাধিক শিক্ষার্থীকে কোনো প্রতিষ্ঠানে বা নির্দিষ্ট স্থানে অর্থের বিনিময়ে পাঠদান কার্যক্রম। আর প্রাইভেট টিউশন সম্পর্কে বলা হয়, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্তৃক অর্থের বিনিময়ে মূল শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে যে কোনো স্থানে শিক্ষা প্রদান।
প্রস্তাবিত আইনে বিদ্যমান চার স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে আছে- পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক, দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি উচ্চ মাধ্যমিক স্তর। এরপরে শুরু উচ্চশিক্ষা স্তর। এছাড়া প্রাক-প্রাথমিক স্তরের কথাও আছে আইনে। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে সংসদে অনুমোদন করা শিক্ষানীতিতে প্রাক-প্রাথমিক বাদে তিন স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের কথা বলা আছে। তবে আইনের অন্য ধারার নির্দেশনা অনুযায়ী এটি সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে ইঙ্গিত করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে খসড়া আইনে বলা হয়েছে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে ভিন্নতর যা কিছুই থাকুক না কেন সরকার সময়ে সময়ে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার স্তর নির্ধারণ ও পুনঃনির্ধারণ করতে পারবে। আর নির্ধারণ ও পুনঃনির্ধারণ হলে তা সার্বিকভাবে অনুসরণীয় হবে। সব শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক এবং শিশুর মৌলিক অধিকার হিসেবে এতে বিধান যুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার স্তর থাকতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, অন্য আইনে যা উল্লেখ আছে তাতে শিক্ষা আইনে বর্ণিত বিধান সংযোজিত বা প্রতিস্থাপন না হওয়া পর্যন্ত উক্ত আইন, বিধি বা প্রবিধি এ আইনের অধীন বা দ্বারা সংশোধিত বলে গণ্য হবে। একই কথা উল্লেখ আছে চতুর্থ অধ্যায়ে মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের ক্ষেত্রে। মাধ্যমিক শিক্ষার ধারা হবে তিনটি- সাধারণ শিক্ষা, মাদ্রাসা এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা। প্রাথমিক স্তরের ক্ষেত্রে কোনো ধারা উল্লেখ নেই। এতে বিদ্যমান প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও অষ্টম শ্রেণিতে চলমান পরীক্ষা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যাবে না। যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ছাড়া প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা যাবে না। এমনকি বাংলাদেশি কারিকুলামে বিদেশে প্রতিষ্ঠান স্থাপনেও অনুমতি লাগবে। ট্রাস্ট বা সংস্থা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে পারবে অনুমতি সাপেক্ষে। কিন্তু এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের আয়ের অর্থ অন্যত্র সরানো যাবে না। কোনো এলাকায় প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন না থাকলে সরকার তা পার্শ্ববর্তী অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত, স্থানান্তর বা বিলুপ্ত করতে পারবে।
আইনে ইংরেজি মাধ্যমের বা বিদেশি পাঠ্যক্রমের শিক্ষা সম্পর্কে বলা হয়েছে, সাধারণ ধারার সমপর্যায়ের বাংলা, বাংলাদেশের অভ্যুদয়, বাংলাদেশ স্টাডিজ এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিষয় বাধ্যতামূলকভাবে পড়াতে হবে। এর ব্যত্যয় করলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বাতিল করা হবে।
বিদেশি পাঠক্রমে পরিচালিত স্কুল, কিন্ডারগার্টেন ও মাদ্রাসা অথবা বিদেশি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে শাখা স্থাপন বা পরিচালনার জন্য নিবন্ধন করতে হবে। বিদেশি পাঠ্যক্রম অনুযায়ী পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বেতন, টিউশন ও অন্যান্য ফি আইন, বিধি বা আদেশ দ্বারা নির্ধারিত হবে।
খসড়ায় উচ্চ শিক্ষার স্তরের প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে শুধু সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় চিহ্নিত হয়েছে। স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কথাটি স্পষ্ট উল্লেখ নেই। এ অংশে বলা হয়েছে, সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বেতন ও অন্যান্য ফি সরকার বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষার্থী মূল্যায়ন অভিন্ন গ্রেডিং পদ্ধতিতে হবে। নির্ধারিত বিষয়ের আলোকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করতে হবে।
আইনে শিক্ষার্থীর ক্লাসে উপস্থিতির ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ৬০ শতাংশের কম ক্লাসে উপস্থিত থাকলে উপযুক্ত কারণ প্রদর্শন ছাড়া পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না শিক্ষার্থীরা। ৪০ শতাংশের কম ক্লাসে উপস্থিত থাকলে চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না।
শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তির ওপর বিধিনিষেধ এবং শিক্ষক সুরক্ষার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষায় নকলে সহায়তা করা এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও এতে সংশিষ্টতা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের অপরাধের জন্য ২ বছর কারাদণ্ড অথবা দুই লাখ টাকা দণ্ড অথবা উভয়দণ্ড দেয়া যাবে। কোনো শিক্ষক নৈতিকতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়ালে তার শিক্ষক নিবন্ধন বাতিল করা যাবে।
এতে নয়টি কারণে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও আংশিক বা সম্পূর্ণ সাময়িকভাবে বন্ধ ও কর্তন এবং বাতিলের কথা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি এর চেয়ারম্যান কার্যপরিধির বাইরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করলে এবং এ কারণে কোনো অনিয়ম বা পাঠদান বাধাগ্রস্ত হলে কমিটি সার্বিকভাবে বা ক্ষেত্রমতে চেয়ারম্যান দায়ী হবেন। এমন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ উক্ত কমিটি বাতিল বা ক্ষেত্রমত চেয়ারম্যানকে অপসারণ করতে পারবে।
Subscribe to:
Comments (Atom)