Saturday, March 14, 2020

পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ। Exam Preparation...

✍️👉 পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ।.. পরীক্ষা অনেক ঠান্ডা মাথার শিক্ষার্থীর উপরও চাপ ফেলতে পারে। কিন্তু অনেক অল্প প্রস্তুতি এবং সময়সূচী নিয়ে একটি উন্নত পরিকল্পনা আপনার এই চাপ কমিয়ে প্রত্যাশিত গ্রেড এনে দিতে পারে ✍️👉 পরীক্ষার ১৫ দিন আগে...... এখনই সময় আপনার পরীক্ষা নিয়ে গুরুত্ব সহকারে ভেবে সংশোধনের সময়সীমা ঠিক করে নেয়া। সবচেয়ে নতুন সিলেবাস গুলো দেখে নিন। পরীক্ষার ব্যাপারে খুটিনাটি জেনে নিন ✍️👉 কিছু টিপস......... দিনের যে সময়টায় আপনার কাজ ভালো হয় সে সময়ের জন্য পূণরায় দেখার কাজটি রেখে দিন। যেমন আপনি যদি সকালে ভালো অনুভব করেন তাহলে বেশিরভাগ পড়া সকালেই শেষ করে রাখুন। ✍️👉 আপনি আরও যা করতে পারেন......... যে পরীক্ষা যতো বেশি নাম্বার দেবে তাকে বেশী গুরুত্ব দিন। ✍️👉 প্রায় বিরতি নিন মন সতেজ রাখার জন্য...... পড়াশোনার জন্য বিভিন্ন ধরণের মাধ্যম ব্যবহার করুন যেমন বই, অডিও গাইড এবং ভিডিও সারাংশ পড়ালেখার নোটে বিশেষ পয়েন্টগুলো দাগিয়ে রাখুন পরিবার বা বন্ধুদের বলুন আপনাকে পড়া জিজ্ঞেস করতে। ✍️👉 আগের পরীক্ষা পত্র দেখে নিন যেন পরীক্ষা সম্বন্ধে একটি ধারণা পেয়ে যান......... ✍️👉 পরিবার ও বন্ধুদের সাথে কাটানোর জন্য সময় বের করুন......... ✍️👉 পরীক্ষার দ্রুত টিপস- পরীক্ষার দিনে......... আপনাকেএই দিনটির জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে হবে। স্নায়বিক চাপে ভুগলে আতঙ্কিত হবেন না, এটা খুবই স্বাভাবিক। কিছু নিয়ম মেনে চলুন শান্ত থাকার জন্য এবং ভালো ফলাফলের জন্য ✍️👉 শান্ত থাকুন এবং দীর্ঘশ্বাস নিন ..... পরীক্ষায় লেখা শুরু করার আগে প্রশ্নপত্র পুরোটা পড়ে নিন ✍️👉 সময় ভাগ করে নিন ..... কোন জায়গায় আটকে গেলে পরবর্তী প্রশ্নে চলে যান প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ুন এবং সতর্কতার সাথে সবগুলো উত্তর লিখুন ✍️👉 পরীক্ষা দেওয়ার সময় মাঝে মাঝের পানি খান। ✍️👉 আগে ভাগেই পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলে সব উত্তর গুলো আরেকবার দেখে নিন। লিখিত উত্তরের জন্য আপনার উত্তরকে প্রথম, মধ্যম এবং শেষ ভাগে ভাগ করে নিন। প্রথম অংশে সূচনা, মধ্যম অংশে তূলনামূলক বর্ণনা এবং নির্দিষ্ট শব্দ সংখ্যার ৭৫ ভাগ লিখে ফেলুন। এবং শেষ অংশে একটি উপসংহার লিখুন।

কম সময়ে পরীক্ষা প্রস্তুতি নেওয়ার কৌশল। সামনে, পড়া শেষ হয়নি? Tips for a good preparation in short time..

পরীক্ষা সামনে, পড়া শেষ হয়নি? “পড়াশোনার চিন্তায় পড়াশোনা হচ্ছে না।” বর্তমান প্রজন্মের নাম যদি দেওয়া হয় “The Eleventh Hour Generation”, আশা করি খুব একটা ভুল হবে না। তাদেরকে সময় যতই দেওয়া হোক না কেন, তারা সবকিছু করতে বসবে সেই শেষ মুহূর্তে। পড়াশোনা অর্থাৎ পরীক্ষার প্রস্তুতিও তার ব্যতিক্রম নয়। “কালকে পড়বো এখনো তো অনেক দিন বাকি…………” এই কালকে পড়বো-র পুনরাবৃত্তি করতে করতে পরীক্ষা দ্বারপ্রান্তে দণ্ডায়মান। অথচ সিলেবাসের কিছুই পড়ার সুযোগ মেলেনি। এই সমস্যা আমাদের সবার বেশ পরিচিত এক সমস্যা। অথচ সময়ের পড়াগুলোকে যদি সময়েই শেষ করে ফেলা হতো তবে কিন্তু এই বিদঘুটে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় না। অনেক উপদেশ হলো। যেটা হবার সেটা যেহেতু হয়েই গেছে, এবার অল্প যেটুকু সময় বাকি সে সময়টাকে কাজে লাগাতে পারলেও কিন্তু বিপদ অনেকাংশে কেটে যাবে। ছাত্রজীবনে এই “কালকে পড়বো……” – এর চক্করে ফেঁসে গিয়ে একদম শেষ মুহূর্তে এসে কান্নাকাটি আমিও করেছি। কিন্তু কান্নাকাটি করে লাভ যে খুব একটা হবে, তা কিন্তু নয়। বরং এতেও সেই সময়ই নষ্ট হবে। পরীক্ষা একদম দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে, এমতাবস্থায় প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যেটা প্রয়োজন সেটা হলো মাথা ঠান্ডা রেখে কুশলী হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া। পরীক্ষাকে দরজার বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে পুরোপুরি প্রস্তুতি নিতে করণীয় কিছু কৌশল জেনে নেওয়া যাক তাহলে। মাথা ঠান্ডা রাখা জরুরি: প্রস্তুতি হয়নি অথচ পরীক্ষার আর তর সইছে না! এই সমস্যাটা তোমার আমার সবার পরিচিত সমস্যা। আমাদের প্রত্যেকেই জীবনের কোনো না কোনো পরীক্ষায় এই পাপের ফল ভোগ করে এসেছি। কাজেই পরীক্ষার প্রস্তুতি তুমি বাদে বাকি সবাই নিয়ে ফেলেছে এমন ভাবাটা অবান্তর। বিশ্বাস না হলে তোমার বন্ধুকে প্রশ্ন করে দেখো, উত্তরটা সেই ঘুরেফিরে তোমার মতোই হবে। তাই, শুধু শুধু হতাশ হয়ে মুষড়ে না পড়ে অল্প যেইটুকু সময় বাকি আছে সে সময়টাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করো। পড়াশোনায় চিন্তায় পড়াশোনাকে ভুলে যাওয়া যাবে না: ইন্টারনেটে একটা বেশ পরিচিত মিম আছে যেখানে বলা হয়ে থাকে, “পড়াশোনার চিন্তায় পড়াশোনা হচ্ছে না।” পরীক্ষার ঠিক আগমুহূর্তে আমাদের সবার এইরকমের একটা অনুভূতি হয়ে থাকে। প্রস্তুতি নেওয়া হয় নি; আহ! কী করলাম এটা; এখন আমার কী হবে; আমি তো ফেল করবো; কিচ্ছু তো পড়া হয় নি…… এবং আরো অনেক কিছু। এইসব দুশ্চিন্তা করতে গিয়ে আসল কাজখানাই আর হয় না। এসব দুশ্চিন্তা যাতে কখনোই তোমার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নেবার ক্ষেত্রে কোনোরকম প্রতিবন্ধকতা না সৃষ্টি করে। যেটা হবার সেটা তো হয়েই গেছে। তাই সেটা নিয়ে ভাবতে গিয়ে আবারো সময় নষ্ট করাটা বোকামী ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই, পরীক্ষার আগে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাকে প্রশ্রয় নয়। গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো চিহ্নিত করে রেখো : পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোকে হাইলাইটার দিয়ে হাইলাইট করে রেখো। স্টিকি নোটসে প্রয়োজনীয় পয়েন্টগুলো লিখে বইয়ে আটকে দাও। রিভিশনের সময়ে ওই চিহ্নিত অংশগুলো আর স্টিকি নোটসের লেখাগুলো পড়ে ফেললেই পুরো বিষয়টা নিয়ে তোমার ধারণা নেওয়া হয়ে যাবে। এতে করে তোমার পরীক্ষা দেয়ার ঠিক আগে একদম শেষ সময়ে রিভিশন দেওয়াটা অপেক্ষাকৃত সহজ ও কম সময়সাপেক্ষ হবে। নতুনকে গুরুত্ব নয়: অনুচ্ছেদের নাম শুনে ভড়কে গেলে? আজীবন আমরা শুনে এসেছি পুরোনোকে সরিয়ে দিয়ে নতুনদের জায়গা করে দিতে হবে। আজ উল্টো কেন? কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ঠিক ঠিক আগমুহূর্তে করারও কিছু নেই। পরীক্ষার আগের সময়টায় অনেক অনেক নতুন নতুন বিষয়, অধ্যায়, তত্ত্ব, সূত্র, উদাহরণ দলবেঁধে সামনে পড়বে। খেয়াল রাখতে হবে, নতুন এই জিনিসগুলো শিখতে গিয়ে যেন পুরোনো পড়াগুলো আবার ভুলে না যাওয়া হয়। তাই, নতুন বিষয়গুলো শেখার পেছনে সময় কম দিয়ে নিজের জানা ও শেখা প্রয়োজনীয় পড়াগুলোই আবার রিভিশন দাও। শেখাটা পাকাপোক্ত করে ফেলো। ইউটিউব লেকচারের গতি বাড়িয়ে নাও: পরীক্ষা দ্বারপ্রান্তে দণ্ডায়মান। অনেক পড়া, বোঝা, জানা ও শেখা বাকি। সময় অনেক কম। কিন্তু, ইউটিউবের ১ ঘণ্টার বিশাল বিশাল লেকচারগুলো কীভাবে দেখে শেষ করা যাবে সব? এরও সমাধান আছে। ইউটিউব ভিডিওর স্পিড অপশনে গিয়ে ভিডিও দেখার গতি প্রয়োজনমতো বাড়িয়ে নেওয়া যায়। ধরো, তোমাকে একটি ১ ঘণ্টার লেকচার দেখা প্রয়োজন। অথচ, হাতে সময় কম। তুমি চাইলেই এখন ১ ঘণ্টার লেকচার ৪০ মিনিটে দেখে শেষ করতে পারবে। সময় ফুরিয়ে গেছে অথচ প্রস্তুতি নেওয়া হয় নি, এটা আমাদের সবার জন্যেই সাধারণ একটি সমস্যা। এরকম পরিস্থিতিতে মাথা ঠান্ডা রাখাটাই প্রকৃতপক্ষে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আশা করছি এই পরামর্শগুলো তোমাদের শেষ মুহূর্তে ঠান্ডা মাথায় পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অনেকাংশে সহায়তা করবে। তাই, এই পরামর্শগুলো নিজেদের পরিচিতদের সাথে শেয়ার করো যাতে করে তারাও এরকম পরিস্থিতিতে উপকৃত হতে পারে।

পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিবে ৮টি সহজ টিপস।। 8 easy tips how to get a Best Exam Preparation

পরীক্ষার প্রস্তুতি কিভাবে নিবে ৮টি সহজ টিপস পরীক্ষার নাম শুনলে কম বেশি সবারই হৃদস্পন্দন কয়েক গুণ বেড়ে যায়। পরীক্ষা না থাকলে ছাত্রজীবন কতই না সুন্দর হত। তাই বলে পরীক্ষা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে তো ‍আর হবে না। নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ কিন্তু এখানেই।পরীক্ষায় নিজের সেরাটা দিলেই অর্জন করা যায় কাঙ্খিত সাফল্য। এজন্য পরীক্ষার প্রস্তুতিও হওয়া চাই সেরা।পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় সবাই কিছু না কিছু কৌশল অবলম্বন করে। কিন্তু কয়েকটি টিপস মেনে চললে আপনার প্রস্তুতিটি আরও সহজ ও পরিপূর্ণ হয়ে ‍উঠবে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক পরীক্ষা প্রস্তুতির ‍৮ টি টিপস: ১. পড়ার মাঝে বিরতি নিন: একটানা অনেকক্ষণ পড়ার চেয়ে বিরতি দিয়ে পড়া অনেক বেশি কার্যকর। এক নাগাড়ে বেশ কিছুক্ষণ ধরে পড়লে পড়ায় মনযোগ ধরে রাখা যায় না। এ কারনে টানা অনেকক্ষণ না পড়ে প্রতি ২০-২৫ মিনিট পর পর পড়ার মাঝে অন্তত ৫ মিনিট বিরতি দিন। বিরতি নেওয়ার ফলে মস্তিষ্কের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং পড়া খুব সহজেই আয়ত্ত করা যায়। ২. রুটিন বানিয়ে পড়ুন: সঠিক প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজন সঠিক সময় নির্দেশনা। তাই রুটিন করে পড়া অত্যন্ত জরুরি্। প্রতিটি বিষয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় ভাগ করে নিয়ে একটি টাইম রুটিন তৈরি করে ফেলুন। এতে করে সকল বিষয় যেমন সমান গুরুত্ব দেয়া যায় তেমনি পড়াটাও সহজতর হয়। ৩. অতিরিক্ত রাত জাগা পরিহার করুন: পরীক্ষার সময় অনেকেরই রাত জেগে পড়ার অভ্যাস রয়েছে। কিন্তু এটা একদমই করা উচিত নয়। মস্তিষ্কে স্মৃতি তৈরীর কাজটি ঘুমের মধ্যে হয়। পরীক্ষার আগের রাতের ঘুম তাই অত্যন্ত জরুরী। লরেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত রাত জাগা মস্তিষ্কের ক্ষতিসাধন করে। নর্থ টেক্সাসের আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে অতিরিক্ত রাত জাগা চোখের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তাই পরীক্ষার সময় রাত জাগা পরিহার করুন। তার চাইতে রাতে আগে ঘুমিয়ে সকালে উঠে পড়ার অভ্যাস করতে পারেন। ৪. কঠিন পড়া গুলো ঘুমানোর আগে পড়ার চেষ্টা করুন: বিশেষজ্ঞদের মতে, অপেক্ষাকৃত কঠিন এবং বর্ণনামূলক পড়া ঘুমানোর আগে পড়া উচিত। এতে করে পড়াটি মস্তিষ্কে দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং ঘুম থেকে উঠার পর পড়াটি মনে করা সহজতর হয়। ৫. পরীক্ষার আগের রাতের জন্য পড়া জমিয়ে রাখবেন না: সকল পড়া পরীক্ষার আগের রাতের জন্য জমিয়ে না রেখে প্রতিদিন অল্প অল্প পড়ুন। পরীক্ষার আগের রাতে সকল পড়া একসাথে পড়তে গেলে মানসিক চাপ বাড়বে যা পরীক্ষায় বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরীক্ষার আগের রাতে নতুন কিছু না পড়ে আগে যা পড়া হয়েছে তাই রিভাইস করুন। ৬. পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করুন: খাবারের সাথে মস্তিষ্কের ক্রিয়াক্ষমতার সম্পর্ক রয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে পরীক্ষার সময় চর্বিহীন এবং আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত। কারন এসব খাবার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ৭. নিজেকে যাচাই করুন: পরীক্ষার পূর্বে নিজেই নিজের ছোটখাট টেস্ট নিয়ে নিন। নিজেই তাতে মার্কিং করুন। এতে করে পড়া ভালমত হয়েছে কিনা তা যেমন বুঝা যায় তেমনি আত্মবিশ্বাসও বাড়ে। এই আত্মবিশ্বাস পড়া মনে রাখতে ও পরীক্ষায় ভালো করতে সাহায্য করে। ৮. নিজের উপর আস্থা রাখুন: হচেছ না, হবে না এ সমস্ত ধারণা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। নিজের উপর আস্থা রেখে সামনে এগিয়ে যান। বারবার অনুশীলন করুন। পরীক্ষার উত্তরপত্রেও আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রশ্নের উত্তর লিখুন।